বর্তমানে বিদ্যুৎ, গ্যাস ও জ্বালানি তেলের বেশি দামের অন্যতম কারণ ডলারের উচ্চমূল্য। ডলারের দাম স্থিতিশীল না হওয়া পর্যন্ত বিদ্যুৎ, গ্যাস ও জ্বালানি তেলের দাম কমার সম্ভবনা কম। অন্যদিকে সরকারের ভর্তুকি থেকে বেরিয়ে আসার পরিকল্পনার কারণেও দাম বাড়বে বিদ্যুৎ-গ্যাসের।
বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) বিকেলে সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুতের উৎপাদন ও বিক্রি দরে ব্যাপক পার্থক্য আছে। ডলারের উচ্চ মূল্যের কারণে এ পার্থক্য এখন আরও বেশি হয়েছে।
'আমাকে অনেকে প্রশ্ন করেন, কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের শুরুতে যে খরচ বা দামে বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে বলা হয়েছিল, এখন তা হচ্ছে না কেন? এসব বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন খরচ ধরা হয়েছিল প্রতি ডলারের দর ৭৯ টাকা ধরে। সেই ডলারের দর এখন ১১৭ টাকা,' বলেন প্রতিমন্ত্রী।
শুধু কয়লা নয়, ডলারের দামের কারণে অন্যান্য খাতের বিদ্যুতের উৎপাদন খরচও বেড়েছে বলে জানান তিনি।
সরকার প্রায় ৫০ শতাংশ ভর্তুকি দেয় জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এখন এ ভর্তুকি থেকে বের হতে চায় সরকার। 'সেজন্য প্রাইস অ্যাডজাষ্টমেন্ট [মূল্য সমন্বয়] করা হবে। ইতোমধ্যে দুবার করা হয়েছে। এ বছর আরও দুবার করা হবে।'