মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
বাংলাদেশ

হরমুজ প্রণালি বন্ধ জ্বালানি নিরাপত্তা ঝুঁকিতে, বিকল্পের খোঁজে ছুটছে বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৬ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে যুদ্ধ তীব্র হওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় সম্ভাব্য অস্থিরতা নিয়ে বাংলাদেশে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পারস্য উপসাগরের গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ হয়ে পড়ায় জ্বালানি পরিবহন ব্যয় ও সময় বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। আমদানিনির্ভর জ্বালানি অর্থনীতির দেশ হিসেবে বাংলাদেশের জন্য এই পরিস্থিতি কতটা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে তা মূল্যায়ন শুরু করেছে সরকার। এজন্য জ্বালানি সরবরাহ, বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্প-কৃষি কার্যক্রম এবং সম্ভাব্য অতিরিক্ত ব্যয় মোকাবিলায় অর্থের উৎস নির্ধারণসহ সামগ্রিক প্রভাব বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। মন্ত্রিপরিষদ সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।


সরকারি পর্যায়ে প্রাথমিকভাবে যে বিষয়টি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে তা হলো জ্বালানি পণ্য পরিবহনের সময় ও ব্যয় বৃদ্ধি এবং এই সংকট মোকাবিলায় অতিরিক্ত অর্থের জোগানের উৎস কোন কোন খাত থেকে সংগ্রহ করা হতে পারে। সংকটকালীন সময়ে কোন কোন খাতে ব্যয় কমানো যায় তাও বিবেচনায় নেওয়া হবে। বিশেষ করে পারস্য উপসাগরের গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক জ্বালানি পরিবহন ব্যবস্থায় বড় ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।


জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, দেশের অপরিশোধিত তেলের পুরোটাই সৌদি আরব ও আরব আমিরাত থেকে আসে। আর এলএনজির বেশিরভাগই আসে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে। যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে জ্বালানি সংকটে যাতে পড়তে না হয় সেজন্য জ্বালানি বিভাগ এরই মধ্যে বিকল্প জ্বালানি উৎসের খোঁজ শুরু করেছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়মিত বৈঠক করছেন। এরই মধ্যে বিকল্প উৎস হিসেবে অস্ট্রেলিয়া, মালয়েশিয়া, এঙ্গোলা ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে এলএনজি আমদানির চিন্তা করা হচ্ছে। আর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আফ্রিকার দু-একটি দেশ থেকে এলপিজি আমদানির জন্য চেষ্টা করছে।


বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজসম্পদ করপোরেশনের (পেট্রোবাংলা) চেয়ারম্যান মো. এরফানুল হক বলেন, ‘আমরা বিভিন্ন উৎস থেকে এলএনজি আমদানি করি। পাইপলাইনে থাকা ৬টি কার্গোর মধ্যে ৪টি কার্গো এরই মধ্যে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে। দুটি নিয়ে এখন অনিশ্চয়তা রয়েছে। তবে সরবরাহকারী যাদের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি আছে তাদের অনুরোধ করেছি ভিন্ন কোনো উৎস থেকে আমাদের এলএনজি সরবরাহ করতে। সেটি অস্ট্রেলিয়া, মালয়েশিয়া, এঙ্গোলা ও যুক্তরাষ্ট্র হতে পারে। এ জন্য তাদের মেইল দিয়েছি। তারা যদি ব্যর্থ হয় তখন স্পট মার্কেট থেকে এলএনজি কেনার প্রস্তুতি আছে।’


তিনি আরও বলেন, ‘মহেশখালীতে যে দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) আছে সেটি আমাদের এলএনজির সংরক্ষণের একমাত্র উপায়। সেখানে একটি জাহাজের বেশি এলএনজি সংরক্ষণের ধারণক্ষমতা নেই। এজন্য কয়েক দিন পর পর বছরজুড়ে এলএনজিবাহী জাহাজের শিডিউল করা থাকে। আমরা এখন ১৫ ও ১৮ তারিখের জাহাজ নিয়ে চিন্তিত। অন্যগুলো আরেক উৎস থেকে আসবে। এগুলো নিয়ে চিন্তিত না। যে চারটি জাহাজ হরমুজ অতিক্রম করেছে সেগুলো ঠিকমতো আসলে মার্চের ১৫ তারিখ পর্যন্ত আমাদের এলএনজি নিয়ে চিন্তা নেই। যুদ্ধ দীর্ঘ হলে স্পট মার্কেট থেকে এলএনজি কিনব।’


আর বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান বলেন, ‘আমরা এরই মধ্যে বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি আমদানির চেষ্টা করেছি। ক্রুড ওয়েলের পাশাপাশি পরিশোধিত তেল আমদানি করার চিন্তা চলছে।’


জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্টরা বলেন, সৌদি আরব থেকে আমদানিকৃত তেলের একটি বড় অংশ আসে হরমুজ প্রণালি হয়ে। কাতারের গ্যাসের ৮০ শতাংশই আসে হরমুজ প্রণালি থেকে। আগামী দুই-তিন মাসে কাতার থেকে কমপক্ষে ২৪-২৫টি এলএনজিবাহী কার্গো আসার কথা। এগুলো আমদানি এখন সম্পূর্ণভাবে স্থবির হয়ে গিয়েছে। তাই বিকল্প জ্বালানি উৎসের ব্যাপারে সরকারকে দ্রুত উদ্যোগ নিতে হবে।


মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, পরিস্থিতি মোকাবিলায় গত বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে অর্থ বিভাগকে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মূলত মন্ত্রিপরিষদের সভায় এই বিষয়টি আলোচনা হয়েছে। এবং আগামী সপ্তাহে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভায় তা উপস্থাপন করা হবে বলেও সূত্রটি জানিয়েছে। জানা গেছে, এরই মধ্যে অর্থ বিভাগ বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর কাছে জরুরি ভিত্তিতে তথ্য চেয়ে কাজ শুরু করেছে। সরকারের উদ্দেশ্য হচ্ছে সম্ভাব্য জ্বালানি সংকট, বিদ্যুৎ উৎপাদনের ঝুঁকি, আমদানি ব্যয়ের চাপ এবং বিকল্প জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা—সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ আর্থিক ও জ্বালানি ঝুঁকি বিশ্লেষণ তৈরি করা।


সূত্র জানায়, সম্ভাব্য জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় যদি অতিরিক্ত ব্যয় প্রয়োজন হয় তাহলে সেই অর্থ কোথা থেকে সংগ্রহ করা হবে—তাও বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। জ্বালানি আমদানি ব্যয় বেড়ে গেলে সরকারকে বাড়তি অর্থ বরাদ্দ করতে হতে পারে। অর্থ বিভাগ এই ব্যয় মেটাতে সম্ভাব্য আর্থিক উৎস এবং বাজেট ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রাথমিক কাজ শুরু করেছে।


বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিভাগের কাছে যেসব তথ্য চাওয়া হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে—গ্যাস, তেল ও কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা কত; উৎপাদন বন্ধ থাকলে ক্যাপাসিটি চার্জ হিসেবে কত অর্থ ব্যয় হয়; বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর চুক্তিতে ক্যাপাসিটি চার্জ সংক্রান্ত শর্ত কী; বিকল্প পথে এলএনজি ও তেল আনতে কত সময় বেশি লাগতে পারে; এর জন্য অতিরিক্ত কত ব্যয় হতে পারে; স্পট বাজার থেকে এলএনজি দ্রুত কেনা সম্ভব কি না এবং বর্তমান জ্বালানি বাজারে বিকল্প সরবরাহ চ্যানেলের অবস্থা কী। এই তথ্যগুলো বিশ্লেষণ করে সম্ভাব্য ঝুঁকি ও করণীয় নির্ধারণ করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।


জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হলে তার প্রভাব দ্রুত বিদ্যুৎ খাত, শিল্প উৎপাদন, কৃষি কার্যক্রম এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় ছড়িয়ে পড়তে পারে। তাই বিদ্যুৎ উৎপাদন, জ্বালানি আমদানি, সার উৎপাদন এবং বাজেট ব্যবস্থাপনা—সবকিছু মিলিয়ে একটি সমন্বিত পরিকল্পনা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অর্থ বিভাগ, বিদ্যুৎ বিভাগ এবং জ্বালানি বিভাগ যৌথভাবে তথ্য বিশ্লেষণ করে সম্ভাব্য করণীয় অর্থ বিভাগ, বিদ্যুৎ বিভাগ এবং জ্বালানি বিভাগ যৌথভাবে তথ্য বিশ্লেষণ করে সম্ভাব্য করণীয় নির্ধারণ করবে।


বিষয়টির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা বলেন, যদি হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করা সম্ভব না হয় তাহলে তেল ও গ্যাসবাহী জাহাজগুলোকে বিকল্প দীর্ঘ সমুদ্রপথ ব্যবহার করতে হতে পারে। এতে পরিবহন সময় বাড়ার পাশাপাশি জাহাজ ভাড়াও বাড়তে পারে। আন্তর্জাতিক শিপিং বাজারে নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়লে জাহাজের বিমা ব্যয়ও বেড়ে যায়। ফলে একটি জ্বালানি চালান বাংলাদেশে পৌঁছাতে আগের তুলনায় বেশি সময় লাগতে পারে এবং আমদানি ব্যয়ও বেড়ে যেতে পারে। এই অতিরিক্ত সময় ও ব্যয়ের সম্ভাব্য পরিমাণ নির্ধারণের জন্য বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিভাগের কাছে বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়েছে। বিশেষ করে বিকল্প পথে এলএনজি ও তেল আনতে হলে কত সময় বেশি লাগতে পারে এবং এতে অতিরিক্ত কত অর্থ ব্যয় হতে পারে তা জানতে চাওয়া হয়েছে।


জ্বালানি সংকটের সম্ভাব্য পরিস্থিতিতে বিকল্প হিসেবে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর উৎপাদন বাড়ানোর বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দেশে বর্তমানে যে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো রয়েছে সেগুলো পূর্ণ সক্ষমতায় চালানো সম্ভব কি না—তা মূল্যায়ন করা হচ্ছে। কারণ গ্যাস বা তেলভিত্তিক কেন্দ্রগুলোর জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হলে কয়লাভিত্তিক কেন্দ্রগুলো থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়িয়ে কিছুটা ঘাটতি পূরণ করা যেতে পারে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই ক্ষেত্রেও বাস্তব সীমাবদ্ধতা রয়েছে। কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র চালানোর জন্য নিয়মিত কয়লা সরবরাহ নিশ্চিত করতে হয়। আন্তর্জাতিক বাজার থেকে কয়লা আমদানির জন্য সময় প্রয়োজন হয়। ফলে হঠাৎ করে সংকট তৈরি হলে তাৎক্ষণিকভাবে বড় পরিমাণ কয়লা আমদানি করা সহজ নয়। এই বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিভাগকে বিদ্যমান কয়লা মজুদ, আমদানির সময়কাল এবং সরবরাহ সক্ষমতা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দিতে বলা হয়েছে।


গ্যাস বা তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো জ্বালানি সংকটের কারণে বন্ধ থাকলে ক্যাপাসিটি চার্জ হিসেবে কত অর্থ ব্যয় হবে তা অর্থ বিভাগ বিদ্যুৎ বিভাগের কাছে জানতে চেয়েছে। এছাড়া বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর চুক্তিতে ক্যাপাসিটি চার্জ সংক্রান্ত শর্ত কী রয়েছে তাও বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। কারণ উৎপাদন না হলেও এই অর্থ দিতে হলে তা সরকারের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় অতিরিক্ত চাপ তৈরি করতে পারে।


সম্ভাব্য জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার স্পট বাজার থেকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস কেনার বিষয়টিও বিবেচনা করছে। তবে স্পট বাজারে এলএনজি পাওয়া যাবে কি না, দ্রুত সরবরাহ করা সম্ভব হবে কি না এবং দাম কতটা বেশি হতে পারে—এসব বিষয় এখনও অনিশ্চিত। তাই এই বাজারের সক্ষমতা যাচাই করার জন্যও সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর কাছে তথ্য চাওয়া হয়েছে। জ্বালানি সংকটের সম্ভাব্য প্রভাব শুধু বিদ্যুৎ খাতেই সীমাবদ্ধ নয়। কৃষি খাতেও এর প্রভাব পড়তে পারে। কারণ দেশে ইউরিয়া সার উৎপাদনের জন্য গ্যাস প্রয়োজন। সার কারখানাগুলো চালু রাখতে হলে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করতে হয়। ফলে গ্যাস সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিলে সার উৎপাদনও কমে যেতে পারে। এ কারণে সরকার মৌসুমভিত্তিক সার চাহিদা এবং সেই অনুযায়ী গ্যাসের প্রয়োজনীয়তা মূল্যায়ন করছে। বিশেষ করে কোন কৃষি মৌসুমে কত পরিমাণ সার প্রয়োজন হবে এবং সেই উৎপাদনের জন্য কত গ্যাস দরকার—তা নিয়ে হিসাব করা হচ্ছে।

সর্বশেষ সংবাদ
ইলিয়াস আলী গুম-হত্যার অভিযোগে উইং কমান্ডার সাইফুর রহমান হেফাজতে

ইলিয়াস আলী গুম-হত্যার অভিযোগে উইং কমান্ডার সাইফুর রহমান হেফাজতে

একরাম হত্যা: সেনা হেফাজতে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহ

একরাম হত্যা: সেনা হেফাজতে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহ

দীঘিনালায় সরকারি আদেশ অমান্য করে ঋণের কিস্তি আদায়

দীঘিনালায় সরকারি আদেশ অমান্য করে ঋণের কিস্তি আদায়

বিপিসির চেয়ারম্যান রেজানুর রহমানকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত

বিপিসির চেয়ারম্যান রেজানুর রহমানকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: স্পিকারের সঙ্গে সিইসির সাক্ষাৎ শিগগির

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: স্পিকারের সঙ্গে সিইসির সাক্ষাৎ শিগগির

সেনাবাহিনীতে রাজনৈতিক বিবেচনায় পদোন্নতিতে না প্রধানমন্ত্রীর

সেনাবাহিনীতে রাজনৈতিক বিবেচনায় পদোন্নতিতে না প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নবনিযুক্ত নৌবাহিনী প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নবনিযুক্ত নৌবাহিনী প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ

তৈরি পোশাকের পর সেমিকন্ডাক্টর শিল্প হতে পারে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানি খাত: প্রধানমন্ত্রী

তৈরি পোশাকের পর সেমিকন্ডাক্টর শিল্প হতে পারে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানি খাত: প্রধানমন্ত্রী

দলীয় ফোরামে ঠিক হবে নতুন রাষ্ট্রপতি: মির্জা ফখরুল

দলীয় ফোরামে ঠিক হবে নতুন রাষ্ট্রপতি: মির্জা ফখরুল

ভাঙা সড়কের গর্তে পড়ে লরির চাকায় মাথা পিষ্ট, নিহত মোটরসাইকেল চালক

ভাঙা সড়কের গর্তে পড়ে লরির চাকায় মাথা পিষ্ট, নিহত মোটরসাইকেল চালক