আজ সোমবার (৯ অক্টোবর) বিকাল ৩টার দিকে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিবের সঙ্গে দেখা করতে গেলে সচিবালয়ে কর্মরত ডিজিএফআইয়ের সদস্যরা প্রথমে তাকে আটক করে। এরপর তাকে পুলিশে হস্তান্তর করা হয়।
ডিজিএফআইয়ের একজন ইন্সপেক্টর বলেন, "দুই বছর ধরে এই লোকের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাচ্ছিলাম যে, সে জিডিএফআইয়ের মেজর, অনারারি ক্যাপ্টেনসহ বিভিন্ন ধরনের পরিচয় দিয়ে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে তদবির করেন।"
"তাকে খোঁজা হচ্ছিল, কিন্তু পাওয়া যাচ্ছিল না। আজ গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিবের পিএসের রুমে পাওয়া গেলে তাকে আটক করা হয়। সে গণপূর্ত সচিবের কাছে তদবির নিয়ে এসেছিল," যোগ করেন তিনি।
এদিকে, অভিযুক্ত নজরুলের কাছে ডিজিএফআইয়ের একটি পরিচয়পত্রও মিলেছে, যেখানে পদবি লেখা আছে সার্জেন্ট।
ভুয়া পরিচয় ব্যবহারকারী হিসেবে অভিযুক্ত নজরুলকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য শাহবাগ থানায় নিয়ে গেছে পুলিশ।
পুলিশের ডেপুটি কমিশনার (সচিবালয়) হুমায়ুন সাংবাদিকদের জানান, সচিবালয় কর্মরত ডিজিএফআইয়ের সদস্যরা নজরুল ইসলামকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। নজরুল ইসলাম নিজেকে ডিজিএফআইয়ের অবসরপ্রাপ্ত কর্মী হিসেবে দাবি করেছেন। তাকে শাহবাগ থানায় নেওয়া হয়েছে পরবর্তী জিজ্ঞাসাবাদের জন্য।
অন্যদিকে নজরুল ইসলামের দাবি, ২০১৮ সালে তিনি ডিজিএফআই থেকে অবসরে গিয়েছেন। কোনো ধরনের তদবিরের জন্য নয়, বরং ব্যক্তিগত প্রয়োজনে সচিবের কাছে এসেছিলেন বলেও দাবি করেন।
তার গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালী জেলার বাউফল উপজেলার কেশবপুর গ্রামে।