বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন সীম্যান্স এসোসিয়েশনের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন আবদুল ওয়াদুদ আর সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন হুমায়ুন কবির। তারা দুজনই চলতি কমিটির সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক পদে অসীন ছিলেন এবং বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। এ ছাড়া নির্বাচনে আরও ৭ জন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২২ মে) নগরের সল্টগোলা রোডে বিএসসি ভবনের রিক্রিয়েশন হলে দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনের ফলাফল নির্বাচন পরিচালনা উপ-কমিটির চেয়ারম্যান ও নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ ফারুক তাদের নির্বাচিত ঘোষণা করেন। এসময় নির্বাচন পরিচালনা উপ-কমিটির সদস্য সচিব মোহাম্মদ আবদুর রব এবং সদস্য শাহ আলম উপস্থিত ছিলেন।
নির্বাচনে ৯টি পদের বিপরীতে ৯ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। গত ৮ মে মনোনয়ন পত্র যাচাই-বাছাই করে ৯টি মনোনয়ন পত্র বৈধ পাওয়ায় এবং কোন পদে একের অধিক প্রার্থী না থাকায় আজ (২২ মে) আগামী ২ বছরের জন্য বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় কার্যকরী কমিটি ঘোষণা করা হয়। ফলে ৯ জন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।
নির্বাচিতরা হলেন— সভাপতি আবদুল ওয়াদুদ, সহ সভাপতি সৈয়দ আমান উল্লাহ, সাধারন সম্পাদক হুমায়ুন কবির, সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. মোস্তাফিজুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদ উল্ল্যা, দপ্তর সম্পাদক মাহবুবুর রহমান, কোষাধক্ষ মো. আলী আজগর, কার্যকরী সদস্য মো. তারেকুল ইসলাম, কার্যকরী সদস্য মো. মোজাম্মেল হোসেন।
এরআগে গত ৪ মে সীম্যান্স এসোসিয়েশনের কার্যালয় সংলগ্ন রিক্রিয়েশন হলে দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন উপলক্ষে সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রম দপ্তরের একজন সহকারী পরিচালকের উপস্থিতিতে (ভার্চুয়াল) দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন পরিচালনার জন্য উপ-কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে মোহাম্মদ ফারুক, সদস্য সচিব মোহাম্মদ আবদুর রব এবং সদস্য শাহ আলমকে সর্বসম্মতিক্রমে দায়িত্ব দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয় এবং অনুমোদন করা হয়। এসময় এসোসিয়েশনের ৪৭ জন সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত, ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের স্থায়ী নাবিকদের নিয়ে গড়ে তোলা হয় বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন সীম্যান্স এসোসিয়েশন। সংগঠনটির বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৭৬ জন। এর ট্রেড ইউনিয়ন নিবন্ধন নাম্বার ৯৮১।