শিখতে নয় জয়ের জন্য নিউজিল্যান্ড ‘এ’ দলের বিপক্ষে খেলতে চেয়েছিলেন বাংলাদেশ ‘এ’ দলের অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহান। সেই লক্ষ্যে আগুন ঝড়ানো শুরু এনে দিয়েছেন বাংলাদেশি তিন পেসার শরিফুল ইসলাম, খালেদ আহমেদ ও ইবাদত হোসেন। তাদের আগুনে স্পেলের পর বাঁ-হাতি স্পিনার তানভির ইসলামের ঘূর্ণিতে দিশেহারা নিউজিল্যান্ড ‘এ’ দল।
পেস আর স্পিনের যৌথ আক্রমণ সামলাতে না পেরে ৮৫ রানে ৯ উইকেট হারিয়েছিল কিউইরা। শঙ্কা জেগেছিল তাদের ১০০ রানের আগে অলআউটের। তবে ৮ নম্বরে নামা ডিন ফক্সক্রফটের দৃঢ়তায় স্কোরটা ১৪৭-এ পৌঁছায় তাদের। কিউইরা ৩৪.৩ ওভারে অলআউট হয় ১৪৭ রানে। ডিন ফক্সক্রফট খেলেন ৬৪ বলে ৬ বাউন্ডারি ৪ ছক্কায় ৭২ রানের ইনিংস। ৩টি করে উইকেট নেন খালেদ আহমেদ ও তানভির ইসলাম। ২টি করে উইকেট শরিফুল ইসলাম ও ইবাদত হোসেনের।ফক্সক্রফটকে সোহানের ক্যাচ বানিয়ে ফেরান ইবাদত।
জবাবে বাংলাদেশ লক্ষ্যটা পেরিয়ে গেছে ২৭.২ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে। ৭ উইকেটের দাপুটে জয়ে তাই শুরু হল তিন ম্যাচের সিরিজটা। নাঈম শেখ ২০ বলে ১৮, পারভেজ হোসেন ইমন ১২ বলে ২৪, এনামুল হক বিজয় আউট হন ৪৫ বলে ৩৮ করে। এছাড়া মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন ৬১ বলে ৪২ আর অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহান অপরাজিত ছিলেন ২৬ বলে ২০ রানে। ক্রিস্টিয়ান ক্লার্ক নেন ২ উইকেট।
ওপেনার ডেল ফিলিপসকে এলবিডব্লিউ করে শুরুটা করেছিলেন শরিফুল। ফিলিপসের মতো ম্যাট বয়েল, মোহাম্মদ আব্বাস আর অধিনায়ক নিক ক্যালি আউট হয়েছেন ০ রানে। নিক ক্যালিকে বোল্ড করেন শারিফুল। অপর দুটি উইকেট খালেদ আহমেদের। চতুর্থ ওভারে তৃতীয় ও পঞ্চম বলে ম্যাট বয়েল ও মোহাম্মদ আব্বাসকে ফিরিয়েছেন খালেদ। বয়েল হয়েছেন এলবিডব্লিউ। আর আব্বাসের ক্যাচ নেন উইকেটরক্ষক নুরুল হাসান সোহান।
টপ অর্ডার ৪ ব্যাটার ০ রানে আউট হলেও একটা প্রান্ত আগলে ছিলেন ওপেনার রাইস মারিউ। ৫১ বলে ৪২ রান করে তিনি স্টাম্পিং হন তানভির ইসলামের বলে। এরপর তানভির এলবিডব্লিউ করেন মিচ হে (৪ রান) আর বোল্ড করেন ক্রিস্টিয়ান ক্লার্ককে। ইবাদত ফেরান জস ক্লার্কসনকে।
একটা সময় ৪৮ রানে ৫ উইকেট হারিয়েছিল নিউজিল্যান্ড ‘এ’ দল। ৯ জন আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা ক্রিকেটার নিয়ে এসে এমন শুরুতে খুশি হওয়ার কথা নয় কিউইদের। ডিন ফক্সক্রফটের ব্যাটিংয় খুশি হওয়ার কথা তাদের। সেই খুশিটা স্থায়ী হয়নি ২৭.২ ওভারে হেরে।