চট্টগ্রামের পটিয়ায় “এসএসসি রিসেপশন অ্যাচিভার্স ২০২৫” শীর্ষক এক অনন্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে গাজী কে.ডি ফাউন্ডেশন ২০২৫ সালের এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এক হাজার কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দিয়েছে। রবিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) পটিয়ার 'মিনা কনভেনশন' হলে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, “শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড। শুধু ভালো ফলাফল নয়, আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত ভালো মানুষ হওয়া। শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও নৈতিকতা দিয়ে আগামী দিনের নেতৃত্বে এগিয়ে আসতে হবে।”
অনুষ্ঠানে সেশন স্পিকার হিসেবে রেনকন এফসি প্রপার্টিজ লিমিটেড-এর সিইও তানভীর শাহরিয়ার রিমন বলেন, “নেতৃত্ব মানে শুধু আদেশ দেওয়া নয়, বরং দায়িত্ব নেওয়া এবং অন্যদের জন্য পথপ্রদর্শক হওয়া। পরীক্ষায় সাফল্যের পাশাপাশি সমাজে ইতিবাচক প্রভাব তৈরি করাও শিক্ষার্থীদের দায়িত্ব।”
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. নসরুল কাদের, চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ইলিয়াছ উদ্দীন আহাম্মেদ এবং চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব জাহিদুল করিম কচি। তারা প্রত্যেকে শিক্ষার্থীদের মধ্যে নেতৃত্বগুণ ও সামাজিক দায়বদ্ধতা তৈরির ওপর জোর দেন।
জাহিদুল করিম কচি বলেন, “শিক্ষার্থীরা দেশ ও সমাজে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি ও উদ্যম নিয়ে এগিয়ে যাবে। তাদের মধ্যে নেতৃত্ব বিকাশ এবং দায়িত্বশীল মানসিকতা গড়ে তোলা জরুরি।”
অনুষ্ঠানের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন গাজী কে.ডি ফাউন্ডেশনের একদল নিবেদিতপ্রাণ স্বেচ্ছাসেবক, যাদের মধ্যে ছিলেন আশরাফ ইফতি, এটিএম ফাউজুল কবির, কাজী হেলাল উদ্দীন, সাঈদ উদ্দীন সাব্বির, কাজী মোজাম্মেল হক, মোহাম্মদ ইব্রাহীম, তামজিদ উদ্দীন, সাজিদ বিন দিদার, তন্ময় চৌধুরী, হুমায়ুন কবির রাহাত এবং মো. সাঈদ হামিদ প্রমুখ। তাদের পরিকল্পনা ও সহযোগিতায় অনুষ্ঠানটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়।
গাজী কে.ডি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও পটিয়া-১২ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী গাজী মোহাম্মদ সিরাজ উল্লাহ বলেন, “এই আয়োজনের লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের অর্জনকে স্বীকৃতি দেওয়া এবং ভবিষ্যতের নেতৃত্বে তাদের প্রস্তুত করা। এ ধরনের সম্মাননা শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস বাড়ায় এবং দেশের উন্নয়নে তাদের ভূমিকা রাখতে অনুপ্রাণিত করে।”
অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা জানান, “এই সংবর্ধনা আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের ও স্মরণীয় একটি মুহূর্ত। এটি আমাদের আরও বড় লক্ষ্য স্থির করতে এবং দেশের জন্য কিছু করার অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।”